কাজী নজরুল ইসলাম এর জীবনী উক্তি

কাজী নজরুল ইসলাম (২৪ মে ১৮৯৯ – ২৯ আগস্ট ১৯৭৬) ছিলেন বিংশ শতাব্দীর অন্যতম জনপ্রিয় অগ্রণী ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, সঙ্গীতজ্ঞ, সংগীতস্রষ্টা, দার্শনিক, যিনি বাংলা কাব্যে অগ্রগামী ভূমিকার সঙ্গে সঙ্গে প্রগতিশীল প্রণোদনার জন্য সর্বাধিক পরিচিত। তিনি বাংলা ভাষার অন্যতম সাহিত্যিক, দেশপ্রেমী এবং বাংলাদেশের জাতীয় কবি। বাংলাদেশ সরকারের আমন্ত্রণে ১৯৭২ সালে তিনি সপরিবারে ঢাকা আসেন। এসময় তাঁকে বাংলাদেশের জাতীয়তা প্রদান করা হয়। এখানেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

“মিথ্যা শুনিনি ভাই এই হৃদয়ের চেয়ে বড় কোনও মন্দির-কাবা নাই।” – কাজী নজরুল ইসলাম

“প্রেম হল ধীর প্রশান্ত ও চিরন্তন।” – কাজী নজরুল ইসলাম

“গিন্নির চেয়ে শালী ভালো।” – কাজী নজরুল ইসলাম

“হিন্দু না ওরা মুসলিম এই জিজ্ঞাসে কোন জন হে, কাণ্ডারি বল ডুবিছে মানুষ সন্তান মোর মা’র।” – কাজী নজরুল ইসলাম

“নুড়ি হাজার বছর ঝরণায় ডুবে থেকেও রস পায় না।” – কাজী নজরুল ইসলাম

“বসন্ত মুখর আজিদক্ষিণ সমীরণে মর্মর গুঞ্জনেবনে বনে বিহ্বল বাণী ওঠে বাজি।” – কাজী নজরুল ইসলাম

“কপালে সুখ লেখা না থাকলে সে কপাল পাথরে ঠুকেও লাভ নেই। এতে কপাল যথেষ্টই ফোলে, কিন্তু ভাগ্য একটুও ফোলে না।” – কাজী নজরুল ইসলাম

“কামনা আর প্রেম দুটি হচ্ছে সম্পুর্ণ আলাদা। কামনা একটা প্রবল সাময়িক উত্তেজনা মাত্র আর প্রেম হচ্ছে ধীর প্রশান্ত ও চিরন্তন।” – কাজী নজরুল ইসলাম

“বসন্ত এলো এলো এলো রে
পঞ্চম স্বরে কোকিল কুহরে
মুহু মুহু কুহু কুহু তানে।” – কাজী নজরুল ইসলাম

শুণ্যে মহা আকাশে
তুমি মগ্ন লীলা বিলাসে
ভাঙ্গিছো গড়িছো নীতি ক্ষণে ক্ষণে
নির্জনে প্রভু নির্জনে খেলিছো।” – কাজী নজরুল ইসলাম

“মসজিদেরই পাশে আমার কবর দিও ভাই
যেন গোরে থেকেও মোয়াজ্জিনের আজান শুনতে পাই।” – কাজী নজরুল ইসলাম

“কারার ঐ লৌহকপাট,
ভেঙ্গে ফেল কর রে লোপাট,
রক্ত-জমাট শিকল পূজার পাষাণ-বেদী।” – কাজী নজরুল ইসলাম

“সে দেশে যবে বাদল ঝরে
কাঁদে না কি প্রাণ একেলা ঘরে,
বিরহ ব্যথা নাহি কি সেথা বাজে না বাঁশি নদীর তীরে।” – কাজী নজরুল ইসলাম

“ও কারা কোরাণ বেদ বাইবেল চুম্বিছে মরি মরি
ও মুখ হইতে কেতাব গ্রন্থ নাও জোর করে কেড়ে
যাহারা আনিল গ্রন্থ-কেতাব সেই মানুষেরে মেরে
পুজিছে গ্রন্থ ভন্ডের দল! – মুর্খরা সব শোন
মানুষ এনেছে গ্রন্থ; গ্রন্থ আনেনি মানুষ কোনও।” – কাজী নজরুল ইসলাম

“চপল বিদ্যুতে হেরি’ সে চপলার
ঝিলিক হানে কণ্ঠের মণিহার,
নীল আঁচল হতে তৃষিত ধরার পথে
ছুড়ে ফেলে মুঠি মুঠি বৃষ্টি শেফালিকা।” – কাজী নজরুল ইসলাম

“প্রেম হল ধীর প্রশান্ত ও চিরন্তন।” – কাজী নজরুল ইসলাম

“আমার যাবার সময় হল দাও বিদায় মোছ আঁখি দুয়ার খোল দাও বিদায়।” – কাজী নজরুল ইসলাম

“তোমারে যে চাহিয়াছে ভুলে একদিন, সে জানে তোমারে ভোলা কি কঠিন।” – কাজী নজরুল ইসলাম

“আসে বসন্ত ফুল বনে সাজে বনভূমি সুন্দরী;
চরণে পায়েলা রুমুঝুমু মধুপ উঠিছে গুঞ্জরি।” – কাজী নজরুল ইসলাম

খেলে চঞ্চলা বরষা-বালিকা
মেঘের এলোকেশে ওড়ে পুবালি বায়
দোলে গলায় বলাকার মালিকা।

“বিশ্ব যখন এগিয়ে চলেছে, আমরা তখনও বসে- বিবি তালাকের ফতোয়া খুঁজেছি, ফিকাহ ও হাদিস চষে।” – কাজী নজরুল ইসলাম

“আমি বিদ্রোহী ভৃগু, ভগবান বুকে এঁকে দিই পদ-চিহ্ন।” – কাজী নজরুল ইসলাম

“বল বীর-বল উন্নত মম শির! শির নেহারী’ আমারি নতশির ওই শিখর হিমাদ্রীর।” – কাজী নজরুল ইসলাম

“গগনে কৃষ্ণ মেঘ দোলে – কিশোর কৃষ্ণ দোলে বৃন্দাবনে
থির সৌদামিনী রাধিকা দোলে নবীন ঘনশ্যাম সনে;
দোলে রাধা শ্যাম ঝুলন-দোলায় দোলে আজি শাওনে।” – কাজী নজরুল ইসলাম

“নামাজ পড়, রোজা রাখ, কলমা পড় ভাই,
তোর আখেরের কাজ করে নে সময় যে আর নাই” – কাজী নজরুল ইসলাম

“আমার চক্ষে পুরুষ-রমণী কোনো ভেদাভেদ নাই!
বিশ্বে যা-কিছু মহান্‌ সৃষ্টি চির-কল্যাণকর,
অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর।” – কাজী নজরুল ইসলাম

“আমি বন্ধনহারা কুমারীর বেনী, তন্বী নয়নে বহ্নি, আমি ষোড়শীর হৃদি-সরসিজ প্রেম উদ্দাম, আমি ধন্যি” – কাজী নজরুল ইসলাম

“তুমি সুন্দর তাই চেয়ে থাকি প্রিয়, সে কি মোর অপরাধ?
চাঁদেরে হেরিয়া কাঁদে চকোরিণী বলে না তো কিছু চাঁদ।” – কাজী নজরুল ইসলাম

“চাঁদ হেরিছে চাঁদমুখ তার সরসীর আরশিতে
ছোটে তরঙ্গ বাসনা ভঙ্গ সে অঙ্গ পরশিতে।” – কাজী নজরুল ইসলাম

“খেলিছ এ বিশ্ব লয়ে
বিরাট শিশু আনমনে।
প্রলয় সৃষ্টি তব পুতুল খেলা
নিরজনে প্রভু নিরজনে।” – কাজী নজরুল ইসলাম

“আমরা সবাই পাপী;
আপন পাপের বাটখারা দিয়ে;
অন্যের পাপ মাপি !” – কাজী নজরুল ইসলাম

“কেয়া পাতার তরী ভাসায় কমল -ঝিলে
তরু-লতার শাখা সাজায় হরিৎ নীলে।
ছিটিয়ে মেঠো জল খেলে সে অবিরল
কাজলা দীঘির জলে ঢেউ তোলে
আনমনে ভাসায় পদ্ম-পাতার থালিকা।” – কাজী নজরুল ইসলাম

“কোনকালে একা হয়নিকো জয়ী, পূরুষের তরবারী;
প্রেরনা দিয়েছে, শক্তি দিয়াছে, বিজয়ালক্ষী নারী।” – কাজী নজরুল ইসলাম

“ফোটে যে ফুল আঁধার রাতে
ঝরে ধুলায় ভোর বেলাতে
আমায় তারা ডাকে সাথী আয়রে আয়
সজল করুণ নয়ন তোলো দাও বিদায়।” – কাজী নজরুল ইসলাম

“ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ
তুই আপনাকে আজ বিলিয়ে দে, শোন আসমানী তাগিদ।” – কাজী নজরুল ইসলাম
তোর সোনা-দানা, বালাখানা সব রাহে লিল্লাহ
দে যাকাত, মুর্দা মুসলিমের আজ ভাঙাইতে নিঁদ
ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ।” – কাজী নজরুল ইসলাম

“আপন পাপের বাটখারা দিয়ে অন্যের পাপ মাপি
জবাবদিহির কেন এত ঘটা যদি দেবতাই হও
টুপি পড়ে টিকি রেখে সদা বলো যেন তুমি পাপী নও
পাপী নও যদি কেন এ ভড়ং ট্রেডমার্কার ধুম
পুলিশি পোশাক পরিয়া হয়েছ পাপের আসামী গুম

“শিহরি উঠো না শাস্ত্রবিদেরের ক’রোনা ক’ বীর ভয়
তাহারা খোদার খোদ ‘প্রাইভেট সেক্রেটারি’ তো নয়” – কাজী নজরুল ইসলাম

“অঞ্জলি লহ মোর সংগীতে
প্রদীপ-শিখা সম কাঁপিছে প্রাণ মম
তোমারে সুন্দর, বন্দিতে সঙ্গীতে।” – কাজী নজরুল ইসলাম

“বসন্ত এলো এলো এলোরে
পঞ্চম স্বরে কোকিল কুহুরে
মুহু মুহু কুহু কুহু তানে
মাধবী নিকুঞ্জে পুঞ্জে পুঞ্জে
ভ্রমর গুঞ্জে গুঞ্জে গুনগুন গানে।” – কাজী নজরুল ইসলাম

“আমার বুকের যে কাটা ঘা, তোমায় ব্যাথা হানত
সেই আঘাতই যাচবে আবার হয়তো হয়ে শ্রান্ত
আসব তখন পান্থ,
হয়তো তখন আমার কোলে
সোহাগ লোভে পড়বে ঢোলে
আপনি সেদিন সেধে-কেদে
চাপবে বুকে বাহুয় বেধে
চরন চুমে পূজবে
বুঝবে সেদিন বুঝবে।” – কাজী নজরুল ইসলাম

“আসবে ঝড়, নাচবে তুফান, টুটবে সকল বন্ধন,
কাঁপবে কুটীর সেদিন ত্রাসে, জাগবে বুকে ক্রন্দন-
টুটবে যবে বন্ধন!
পড়বে মনে, নেই সে সাথে
বাঁধবে বুকে দুঃখ-রাতে-
আপনি গালে যাচবে চুমা,
চাইবে আদর, মাগবে ছোঁওয়া,
আপনি যেচে চুমবে-
বুঝবে সেদিন বুঝবে।” – কাজী নজরুল ইসলাম

“গাইতে ব’সে কন্ঠ ছিঁড়ে আসবে যখন কান্না,
ব’লবে সবাই-“ সেই যে পথিক তার শেখানো গান না?’’
আসবে ভেঙে কান্না!
প’ড়বে মনে আমার সোহাগ,
কন্ঠে তোমার কাঁদবে বেহাগ!
প’ড়বে মনে অনেক ফাঁকি
অশ্র”-হারা কঠিন আঁখি
ঘন ঘন মুছবে-
বুঝবে সেদিন বুঝবে!” – কাজী নজরুল ইসলাম

“স্বপনে কি যে কয়েছি তাই গিয়াছে চলে
জাগিয়া কেদে ডাকি দেবতায়
প্রিয়তম প্রিয়তম প্রিয়তম।” – কাজী নজরুল ইসলাম

“যেদিন আমি হারিয়ে যাব, বুঝবে সেদিন বুঝবে
অস্তপারের সন্ধ্যাতারায় আমার খবর পুঁছবে
বুঝবে সেদিন বুঝবে।” – কাজী নজরুল ইসলাম

“আসিবে তুমি জানি প্রিয়
আনন্দে বনে বসন্ত এলো
ভুবন হল সরসা, প্রিয়-দরশা, মনোহর।
বনানতে পবন অশান্ত হল তাই
কোকিল কুহরে, ঝরে গিরি নির্ঝরিণী ঝর ঝর।” – কাজী নজরুল ইসলাম

“তোমার সখার আসবে যেদিন এমনি কারা-বন্ধ,
আমার মতন কেঁদে কেঁদে হয়ত হবে অন্ধ-
সখার কারা-বন্ধ!
বন্ধু তোমার হানবে হেলা
ভাঙবে তোমার সুখের মেলা;
দীর্ঘ বেলা কাটবে না আর,
বইতে প্রাণের শান- এ ভার
মরণ-সনে বুঝ্বে-
বুঝবে সেদিন বুঝবে!” – কাজী নজরুল ইসলাম

“ফুটবে আবার দোলন চাপা, চৈতি রাতের চাদনী
আকাশ ছাওয়া তারায় তারায় বাজবে আমার কাদনি
চৈতি রাতের চাদনী
ঋতুর পরে ফিরবে ঋতু
সেদিন হে-মোর সোহাগ ভীতু
চাইবে কেদে নীল নভোগায়
আমার মত চোখ ভরে চায়
যে তারা, তায় খুজবে
বুঝবে সেদিন বুঝবে।” – কাজী নজরুল ইসলাম

“ছবি আমার বুকে বেধে
পাগল হয়ে কেঁদে কেঁদে
ফিরবে মরু কানন গিরি
সাগর আকাশ বাতাশ চিরি
সেদিন আমায় খুজবে
বুঝবে সেদিন বুঝবে।” – কাজী নজরুল ইসলাম

“আবার যেদিন শিউলী ফুলে ভরবে তোমার অঙ্গন
তুলতে সে ফুল গাথতে মালা, কাপবে তোমারকঙ্কণ
কাদবে কুটির অঙ্গন,
শিউলী ঢাকা মোর সমাধি
পড়বে মনে উঠবে কাদি
বুকের জ্বালা করবে মালা
চোখের জলে সেদিন বালা
মুখের হাসি ঘুচবে
বুঝবে সেদিন বুঝবে।” – কাজী নজরুল ইসলাম

“যেদিন আমি হারিয়ে যাব, বুঝবে সেদিন বুঝবে,
অস্তপারের সন্ধ্যাতারায় আমার খবর পুছবে-
বুঝবে সেদিন বুঝবে!
ছবি আমার বুকে বেঁধে
পাগল হ’লে কেঁদে কেঁদে
ফিরবে মর” কানন গিরি,
সাগর আকাশ বাতাস চিরি’
যেদিন আমায় খুঁজবে-
বুঝবে সেদিন বুঝবে!” – কাজী নজরুল ইসলাম

“মহা – বিদ্রোহী রণক্লান্ত
আমি সেই দিন হব শান্ত।
যবে উৎপীড়িতের ক্রন্দন-রোল আকাশে-বাতাসে ধ্বনিবে না,
অত্যাচারীর খড়ুগ কৃপাণ ভীম রণ, ভূমে রণিবে না-
বিদ্রোহী রণক্লান্ত
আমি সেই দিন হব শান্ত” – কাজী নজরুল ইসলাম

“স্বপন ভেঙ্গে নিশুত রাতে, জাগবে হঠাৎ চমকে
কাহার যেন চেনা ছোয়ায় উঠবে ও-বুক ছমকে-
জাগবে হঠাৎ ছমকে,
ভাববে বুঝি আমিই এসে
বসনু বুকের কোলটি ঘেষে
ধরতে গিয়ে দেখবে যখন
শুন্য শয্যা মিথ্যা স্বপন
বেদনাতে চোখ বুজবে-
বুঝবে সেদিন বুঝবে” – কাজী নজরুল ইসলাম

“আসবে আবার শীতের রাতি, আসবে না’ক আর সে-
তোমার সুখে প’ড়ত বাধা থাকলে যে-জন পার্শ্বে,
আসবে না’ক আর সে!
প’ড়বে মনে, মোর বাহুতে
মাথা থুয়ে যে-দিন শুতে,
মুখ ফিরিয়ে থাকতে ঘৃণায়!
সেই স্মৃতি তো ঐ বিছানায়
কাঁটা হ’য়ে ফুটবে-
বুঝবে সেদিন বুঝবে! ” – কাজী নজরুল ইসলাম

“আবার গাঙে আসবে জোয়ার, দুলবে তরী রঙ্গে,
সেই তরীতে হয়ত কেহ থাকবে তোমার সঙ্গে-
দুলবে তরী রঙ্গে,
প’ড়বে মনে সে কোন্ রাতে
এক তরীতে ছিলেম সাথে,
এমনি গাঙ ছিল জোয়ার,
নদীর দু’ধার এমনি আঁধার
তেমনি তরী ছুটবে-
বুঝবে সেদিন বুঝবে!” – কাজী নজরুল ইসলাম

“আসবে আবার আশিন হাওয়া, শিশির ছেচা রাত্রি
থাকবে সবাই- থাকবে না এই মরন পথের যাত্রীই
আসবে শিশির রাত্রি,
থাকবে পাশে বন্ধু সুজন
থাকবে রাত বাহুর বাধন
বধুর বুকের পরশনে
আমার পরশ আনবে মনে
বিষিয়ে ও বুক উঠবে
বুঝবে সেদিন বুঝবে।” – কাজী নজরুল ইসলাম

“আবার যেদিন শিউলি ফুটে ভ’রবে তোমার অঙ্গন,
তুলতে সে ফুল গাঁথতে মালা কাঁপবে তোমার কঙ্কণ-
কাঁদবে কুটীর-অঙ্গন!
শিউলি ঢাকা মোর সমাধি
প’ড়বে মনে, উঠবে কাঁদি’!
বুকের মালা ক’রবে জ্বালা
চোখের জলে সেদিন বালা
মুখের হাসি ঘুচবে-
বুঝবে সেদিন বুঝবে! ” – কাজী নজরুল ইসলাম

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *